মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত আইন ও বিধি

 

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন-২০০৪ (সর্বশেষ সংশোধিত সহ)

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন (ইউনিয়ন পরিষদ) বিধিমালা-২০০৬

প্রশ্ন: জন্ম নিবন্ধন কোথায় করতে হবে?

উত্তর: ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র বা মেয়র কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কাউন্সিলর বা অন্য কোন কর্মকর্তা, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এর এক্সিকিউটিভ অফিসার এবং দূতাবাসসমূহের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করে থাকেন।

প্রশ্ন: জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আবেদন ফরম কোথায় পাওয়া যাবে?

উত্তর: সংশ্লিষ্ট নিবন্ধকের কার্যালয়ে বা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন

প্রশ্ন: জন্ম নিবন্ধন এর জন্য কি কি কাগজপত্র প্রদান করতে হয়?

উত্তর: যদি কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে জন্মগ্রহণ করে থাকে তবে সেখানকার সার্টিফিকেট/ছাড়পত্র।

থবা

এস.এস.সি সনদ এর ফটোকপি/ পাসপোর্টের ফটোকপি/আইডি কার্ডের ফটোকপি এবং এলাকার জনপ্রতিনিধী যেমন-ওয়ার্ড কমিশনার/ ইউনিয়ন পরিষদ/ পৌরসভার চেয়ারম্যান কর্তৃক নাগরিকত্ব সনদ এর ফটোকপি।

প্রশ্ন: অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করা যাবে কি?

উত্তর: http://bris.lgd.gov.bd/pub/ ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধকের কার্যালয় বরাবর অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের প্রিন্ট কপি নিবন্ধন অফিসে দাখিল করলে নিবন্ধক জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন (আবেদন করতে ক্লিক করুন)।

প্রশ্ন: বিদেশে জন্ম হলে দেশে জন্ম নিবন্ধন করা যাবে কি?

উত্তর: জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইনের ধারা-৪ অনুসারে নিবন্ধকের কার্যালয়ের অধীনে জন্ম গ্রহণকারী বা মৃত্যু বরণকারী অথবা স্থায়ীভাবে বসবাসকারীদের জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধন করা যায়। সুতরাং বিদেশে জন্ম গ্রহণ/মৃত্যু বরণকারী বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হিসেবে বিদেশে জন্ম বা মৃত্যুর যথাযথ প্রমাণ দাখিল করে দেশে স্থায়ী ঠিকানায় নিবন্ধকের নিকট হতে জন্ম/মৃত্যু নিবন্ধন করতে পারবেন। তদ্রুপ প্রবাসী বাংলাদেশীগণ ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের জন্ম ও স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করে দূতাবাসে জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন।

প্রশ্ন: একই ব্যক্তি একাধিকবার জন্ম নিবন্ধন করতে পারবে কি?

উত্তর: একই ব্যক্তির অনুকূলে একাধিকবার জন্ম নিবন্ধন করা যাবে না। এটি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ এর ২১ ধারা অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ।

প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি জন্ম নিবন্ধন হয়েছে কিনা তা কিভাবে পরীক্ষা করবে?

উত্তর: অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করা থাকলে http://bris.lgd.gov.bd/pub ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে জন্ম তথ্য যাচাই অপশনে ব্যক্তির ব্যপন নম্বর ও জন্ম তারিখ প্রদান করে জন্ম নিবন্ধন হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে ( যাচাই করতে ক্লিক করুন )।

প্রশ্ন: জন্ম নিবন্ধন সনদের ব্যক্তি পরিচিতি নম্বর (ব্যপন) ১৭ ডিজিটে কিভাবে রুপান্তর করতে হবে?

উত্তর: ১৭ ডিজিটের কম ব্যপন নম্বর হলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধকের কার্যালয়ে পুরাতন সনদ জমা প্রদান করে ১৭ ডিজিট ব্যপন নম্বর সম্বলিত সনদ নেয়া যাবে।

প্রশ্ন: হাতে লিখা পুরাতন বহি হতে অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি করতে কি নতুন জন্ম নিবন্ধন অপশনে প্রবেশ করতে হবে?

উত্তর: হাতে লিখা পুরাতন বহি হতে ডাটা এন্ট্রি করার সময় “নতুন জন্ম নিবন্ধন” অপশনে প্রবেশ করতে হবে না। অনলাইনে তৈরীকৃত সংশ্লিষ্ট পুরাতন বইসমূহে প্রবেশ করে ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। কেবলমাত্র নতুন জন্ম নিবন্ধন এর ক্ষেত্রে টুল বক্সে উল্লিখিত “নতুন জন্ম নিবন্ধন” অপশনে প্রবেশ করে এন্ট্রি করতে হবে।

প্রশ্ন: বিবাহিত নারীর জন্ম নিবন্ধন-এ স্বামীর নাম লিখা যাবে কি বা তার স্থায়ী ঠিকানা কীভাবে লিখতে হবে?

উত্তর: যে কোন জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পিতা ও মাতার নাম লিখতে হবে। কোন অবস্থাতে স্বামীর নাম লেখার সুযোগ নাই। বিবাহিত মহিলার স্থায়ী ঠিকানা বিবাহের পূর্বে যে ঠিকানা ছিল সেটি লিখতে হবে।

প্রশ্ন: বাংলা ও ইংরেজী সনদ একসাথে প্রদান করা যাবে কিনা?

উত্তর: বাংলা ও ইংরেজী সনদ একসাথে প্রদান করা যাবে। প্রয়োজনে কাগজের একপিঠে বাংলা ও অপরপিঠে ইংরেজী সনদ প্রদান করা যাবে।

প্রশ্ন: জন্ম তারিখ পরিবর্তন করা যাবে কিনা?

উত্তর: আবেদন পত্রে লিখিত জন্ম তারিখ যথাযথভাবে প্রত্যায়িত হবার পরেই নিবন্ধিত হয়। তাই আদালতের আদেশ ব্যতিত জন্ম তারিখ পরিবর্তন করা যাবে না।

প্রশ্ন: একই সনদ ২য় বার ইস্যূ করা হলে নিবন্ধক কোন তারিখে সনদ এ স্বাক্ষর করবে?

উত্তর: জন্ম নিবন্ধন সনদ একাধিক বার ইস্যূ করা হলে সনদ প্রদানের তারিখ ১ম বার জন্ম সনদ ইস্যূ করার তারিখ থাকবে। পরবর্তিতে নিবন্ধক একই সনদ পূনরায় ইস্যূ করলে যে তারিখে সনদ প্রিন্ট করা হয়েছে সেই তারিখে সনদে স্বাক্ষর করবেন।

প্রশ্ন: ২০০৬ সালের পূর্বে যারা মৃত্যু বরণ করেছেন তাদের মৃত্যু নিবন্ধন করা যাবে কিনা?

উত্তর: জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন,২০০৪ বিগত ৩জুলাই ২০০৬ হতে কার্যকর হয়েছে। আইন কার্যকর হওয়ার পর এই আইনের বিধান মোতাবেক কোন ব্যক্তির জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করতে হবে। অর্থ্যাৎ আইন কার্যকর হওয়ার দিন যারা জীবিত ছিলেন বা তার পরে যারা জন্ম গ্রহণ করেছেন তাদের জন্য এই আইন কার্যকর হবে। ২০০৬ সালের ৩ জুলাইয়ের পূর্বে যিনি মৃত্যুবরণ করেছেন এই আইনের অধীনে তার জন্ম নিবন্ধন করার কোন সুযোগ নেই। কোন মৃত ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন না হয়ে থাকলে তার মৃত্যু নিবন্ধনের পূর্বে জন্ম নিবন্ধন করা আবশ্যক। সতরাং বিদ্যমান জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইনের অধীনে ৩ জুলাই, ২০০৬ এর পূর্বে কোন ব্যক্তির মৃত্যু নিবন্ধন করা সঙ্গত হবেনা।


Share with :

Facebook Twitter